যাত্রা শুরু হলো সেন্টার অব এক্সিলেন্স আর্টিফিসিয়্যাল ইন্টিলিজেন্স ল্যাব-২

৮ জুন, ২০২০ ১৬:১৮  
কোভিড -১৯ উপেক্ষা করে ভার্চুয়াল কার্যক্রমের মধ্যে যাত্রা শুরু করলো সেন্টার অব এক্সিলেন্স আর্টিফিসিয়্যাল ইন্টিলিজেন্স এর দ্বিতীয় ল্যাব। আজ সোমবার (৮ জুন) অনলাইন বৈঠকে ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ব্যবসায় বান্ধব টেকসল্যুশন উদ্ভাবনে তৈরি এই ল্যাবের উদ্বোধন করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এসময় তিনি বলেন,
করোনাভাইরাস ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি ব্যবহারের গতি ত্বরান্বিত করেছে। সরকার করোনাকালে ভাতা প্রদান সহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে এআই, ব্লককচেইন, ডাটা অ্যানালাইটিক্সের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে। আগামীতে সার্বিক জীবনের চালিকা শক্তি হবে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অত্যধুনিক প্রযুক্তি।
সরকারের লিভারেজিং আইসিটি (এলআইসিটি) প্রকল্পের অধীনে পারিচালিত এই ল্যাব শুরু হয় ১০টি এআই ভিত্তিক প্রোটোটাইপ সল্যুশন নিয়ে। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর (আইএসএস) এবং ই-কমিউনিকেশন একাডেমি (ইজেল) এর তত্ত্বাবধানে ছয় সপ্তাহের প্রশিক্ষণ ও নির্দেশনায় এই প্রোটোটাইপগুলো বাণিজ্যিক ভাবে অবমুক্ত করা হবে। অনলাইনে বৈঠকে জমা পড়া ২৩টি আবেদনের মধ্যে চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিত ১০টি প্রকল্পগুলোর নাম ঘোষণা করো হয়। প্রকল্পগুলো হলো-
ব্যাংকের জন্য বিজনেস অটোমেশন লিমিটেডের এআই সল্যুশন  কিউপ্রো, এআর কমিউনিকেশনের ইজি জবস, যান্ত্রিকের ড্রাইভ সেফ, লিডস বাংলাদেশের রিক্রুট জিনি, সিপিএসডি’র ওয়ার্ক কেয়ার, ব্রাক আইটি সার্ভিসের এসবিআই ক্লাউড, কোনা সফটওয়্যার ল্যাবের কোনা ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, টেকনো হ্যাভেনের ওয়ার্ক ফ্লো ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, গ্রাহো এর খাও-দাও এবং ইন্টিলিজেন্স মেশিন উদ্ভাবিত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবস্থাপনার এআই সল্যুশন, যেটি মিথ্য তথ্য বা গুজব রোধ করে ব্র্যান্ডের সুনাম ধরে রাখতে কাজে দেবে।
চ্যাটবট, আরপিএ/আইপিএ, ইমেজ প্রসেসিসং, ভিডিও সার্ভিলেন্স এবং রিকমেন্ডেশন সিস্টেম ব্যবহার করে এই পণ্যগুলো ডিজাইন করা হয় বলে জানান অনুষ্ঠানের সঞ্চালক আইসিটি বিভাগের এলআইসিটি প্রকল্পের নীতিবিষয়ক উপদেষ্টা সামি আহমেদ। অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের অশোক কুমার সিংহরম জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার লাগসই ব্যবহার নিয়ে উদ্ভাবকদের প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা করে ১০টি সেশনে প্রশিক্ষণ দেবে ই জেল সিঙ্গাপুরের গবেষক শিক্ষকেরা। বক্তব্যে নির্বাচিত প্রকল্পগুলো খুবই এক্সাইটিং উল্লেখ করে আইএসএস সিঙ্গাপুরের সিইও চ্যাং মিং বলেন, এআই স্রেফ একটি প্রযুক্তি নয়। এটি আমাদের জীবনকে বদলে দিচ্ছে। বদলে দিচ্ছে চাকরির বাজার। তাই ট্রু এআই বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই।